ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

প্লাস্টিকের গ্রাসে মৃৎশিল্প পেশা ছাড়ছেন অনেকে

  • আপলোড সময় : ১০-১২-২০২৪ ০৯:৫৫:০৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-১২-২০২৪ ০৯:৫৫:০৬ অপরাহ্ন
প্লাস্টিকের গ্রাসে মৃৎশিল্প পেশা ছাড়ছেন অনেকে
মাদারীপুর থেকে রঞ্জন কুমার মল্লিক
লোকসংস্কৃতির অর্ন্তভুক্ত একটি অন্যতম প্রধান শাখা হলো মৃৎশিল্প। কৃষি নির্ভর বাঙালি সমাজ থেকে বাংলায় মৃৎশিল্পের উৎপত্তি হয়েছে। মৃৎশিল্পের সৃষ্টি ও বিকাশ ঘটেছে সমাজভুক্ত মানুষের প্রয়োজনে। প্রাত্যহিক জীবনের চাহিদা পূরণের জন্যই মৃৎশিল্প বিকাশ লাভ করেছে। মৃৎশিল্প মাদারীপুর জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প। এ শিল্পের সাথে জড়িত আছে এ জেলার শত শত মানুষ। এরা কুম্ভকার বা কুমোর বা কুমার নামে পরিচিত। হিন্দু সম্প্রদায়ের এক শ্রেণীর লোক এদের অন্তর্গত। মধ্যবৃত্ত শ্রেণীর পাল বংশের কিছু লোক এ পেশায় নিয়োজিত। কাদামাটি দিয়ে কুমোররা বিভিন্ন আকৃতি-প্রকৃতির এবং সাইজের হাঁড়ি-পাতিল-বাসন-কোসনসহ গৃহস্থলির কাজের উপযোগী নানা দ্রব্য-সামগ্রী তৈরি করে থাকেন। হাত এবং চাকার সাহায্যে কাদামাটি দিয়ে বিভিন্ন দ্রব্যাদি তৈরির পর কাঁচা থাকতে তাতে কাঠি দিয়ে পাতা, ফুল, পাখি ও রেখাদির নক্শা করা হয়। কখনও আবার দ্রব্যাদির পোড়াবার পর এতে নানা রঙ্গের সমাবেশে বৈচিত্র্যপূর্ণ আকর্ষণীয় নকশা করা হয়। খেলার পুতুল ও ঘর সাজানোর সৌখিন দ্রব্যও কুমোরেরা তৈরি করেন। পাল বা কুমোরেরা হিন্দুদের বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি নির্মাণ করেন। বাঁশ, খড়কুটা, মাটি, কাপড় ও রং দ্বারা নির্মিত তাদের এ মূর্তিগুলো এক অসাধারণ শিল্পকর্ম। কুমার শ্রেণীর সাধারণ মেয়েরা মৃৎশিল্পের নানা দ্রব্য তৈরিতে তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে সাহায্য করেন। এতে রয়েছে তাদের সুনিপুণ দক্ষতা এবং কুশলতা। এ সব পণ্যের প্রধান উপকরণ মাটি।
মাদারীপুর জেলা মৃৎশিল্পের জন্য এক সময় বিখ্যাত ছিল। বর্তমানে কারখানা থেকে উৎপাদিত দৈনন্দিন গৃহস্থালী সরঞ্জাম বা তৈজসপত্রের সর্বাপেক্ষা ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। যে কারণে মাটির তৈরির তৈজসপত্রের আবেদন আশংকাজনকহারে কমে গেছে। তবে এখনও গ্রামের মধ্যবিত্ত, নিম্নবৃত্ত শ্রেণীর মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজের জন্য মাটির বিভিন্ন জিনিসপত্র ব্যবহার করে থাকেন। যেমন ঃ হাঁড়ি, কলসি, মটকা, বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক, ফুলদানী, সান্কি, বদনা, দইয়ের ভাঁড়, ঘটি, মালসা, পাতিল, ছাইদানী ইত্যাদি। এ থেকেই মাদারীপুরের লোকায়ত মৃৎশিল্পের একটি বিমূর্ত পরিচয় ফুটে ওঠে। ঐতিহ্য পরম্পরায় পাল সম্প্রদায়ের মানুষ এ শিল্পের কারিগর।
মৃৎশিল্পীরা শুধুমাত্র হাঁড়ি-পাতিল তৈরি করেন না তারা বিভিন্ন রকমের খেলনা সামগ্রী, ফুলদানী, পটারি তৈরি করে থাকেন। এসব জিনিসপত্র বিভিন্ন ধরনের ছাঁচে তৈরি করা হয়। সাধারণত মেলা উপলক্ষে এসব সামগ্রী বেশি পরিমাণে তৈরি করা হয়। এছড়াও মৃৎশিল্পীরা মাটি দিয়ে বিভিন্ন রকমের পশুপাখি তৈরি করে থাকেন। মাটির তৈরি ব্যাংক আমাদের দেশে অনেক বেশি প্রচলিত একটি সামগ্রী। মাটির তৈরি সামগ্রীতে সাধারণত নক্শা করা হয় নরম থাকা অবস্থায়। মৃৎশিল্পের কারিগররা বংশ পরাম্পরায় মৃৎশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বৃদ্ধ, ছেলে, মেয়ে সকলেই মৃৎশিল্পের কাজ করে থাকেন।
মৃৎশিল্পীরা মাটির দ্রব্য উৎপাদনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন “চাক্”। কুমোর সম্প্রদায়ের রুজি-রোজগারের প্রধান উৎস হল এই “চাক্”। এই চাক্কে কেন্দ্র করে কুমোর সম্প্রদায়ের লোকেরা বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন। বৈশাখ মাসে এ এ অঞ্চলের কুমোররা চাকের কাজ করেন না। এ মাসের প্রথম দিনই চাক্ পূজা করা হয়। এই একটি মাস চাকের ওপর শিবের মূর্তি বসিয়ে রাখা হয়। পূজার জন্য তারা ডালসহ আম পাতা, সিঁদুর ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকেন। কমোররা এই ১ মাস চাকের কাজ না করলেও মাটি সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং হাত দিয়ে তৈরিকৃত মৃৎশিল্পের কাজ করে থাকেন। তারা শীত মৌসুমেও এঁেটল মাটি সংগ্রহ করে থাকেন।
এ কাজের সঙ্গে নারীরাই প্রধানত বেশি কাজ করে থাকেন। মৃৎশিল্পীরা রঙের ক্ষেত্রে  প্রাকৃতির রঙ ব্যবহার করেন। যেমনঃ চকের গুঁড়া, তেঁতুল বিচি, ইটের গুঁড়া ইত্যাদি। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাজারের কৃত্রিম রঙও ব্যবহার করা হয়। দৈনন্দিন জীবনে মানুষের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র হিসেবে মাটির তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা। যেমনঃ ফুলদানী, ছবির স্ট্যান্ড, বিভিন্ন ধরনের ঘর সাজানো  ওয়ালম্যাট, মাটির গহনা, মাটির শো-পিস ইত্যাদি।
মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় কুমোরদের মধ্যে অনেকেই এখন রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ী, গার্মেন্টস শিল্পকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। বর্তমান চাহিদার সাথে মিল রেখে যারা মাটির সৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করার ক্ষেত্রে কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ছাঁচ ব্যবহার করছেন তাদের পরিবারে কিছুটা সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। অতীতকালে কুমোর সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষার হার কম থাকায় প্রায় সকলেই নিরক্ষর ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে অনেকেই শিক্ষিত হচ্ছে এর কারণে তাদের মধ্যে কেউ কেউ পেশার পরিবর্তন করলেও কিছু মানুষ আছে যারা তাদের পৈত্রিক এ পেশার প্রতি সম্মান দেখিয়ে মৃৎশিল্পের কাজ করে যাচ্ছেন। পাল সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা স্কুল-কলেজে পড়াশুনা করার পাশাপাশি বাড়িতে মা বাবার সাথে এই মাটির কাজ করে থাকেন। মাটির তৈরি জিনিসপত্রগুলো বিপণনের জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে প্রেরণ করা হয়ে থাকে।
মাদারীপুর জেলায় এক সময়ে মৃৎশিল্পের ছিল জমজমাট অবস্থা। এক সময় এ শিল্পে শত শত লোক জড়িত ছিল। বর্তমানে পূর্ব পুরুষের পেশা হিসেবে কুমোররা কেউ কেউ এ শিল্পকে ধরে রেখেছেন। এ পেশা তাদের আয়ের উৎস, জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। জেলার প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মৃৎশিল্প তৈরির ভাটা রয়েছে (চুল্লী)। মৃৎশিল্পের উপকরণ উপযুক্ত মাটি এবং পোড়াবার নাড়া, খড় এ জেলায় এক সময় সহজলভ্য হওয়ায় এ শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল। তাছাড়া জেলার আধিবাসীরা দরিদ্র এবং অসচ্ছল হওয়ার কারণে মৃৎশিল্পের বিভিন্ন দ্রব্যাদি বেশি ব্যবহৃত হতো। জেলায় বিখ্যাত এবং বড় ধরনের মেলাও বসতো অনেক। এসব মেলায়, হাটে এবং গ্রাম-গঞ্জে বিক্রি হতো অগণিত দ্রব্য সামগ্রী। নানা ধারনের দেব-দেবীর নির্মাণে এ জেলার শিল্পীদের ছিল ব্যাপক সুনাম এবং সু-খ্যাতি। দুর্গাপূজা-কালিপূজা বিশেষ করে সরস্বতি পূজা অত্যন্ত জাঁকজমক এবং আড়ম্বরপূর্ণভাবে এ জেলায় পালিত হয়। সরস্বতি পূজা উপলক্ষে মাদারীপুর শহরে শত শত মণ্ডপ নির্মিত হয়। এ জেলায় শিল্পীদের চমৎকার সূক্ষ্মতায় এবং দক্ষতায় নির্মিত এসব মূর্তি দেখতে অত্যন্ত সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। মাদারীপুর জেলার কয়েকজন মৃৎশিল্পী তাদের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এবং মানসম্পন্ন শিল্পকর্মের জন্য এতদাঞ্চলে বিখ্যাত। এরা হলেন, ঘটুপাল, কালিদাস পাল, পাগলা পাল, জগদীশ পাল, অতুল পাল প্রমুখ।
মাদারীপুর জেলার বিস্তৃত ভূমি নীচু হওয়ায় এবং সবসময় পানি থাকায় এ জেলায় প্রচুর আমন ধানের চাষ হতো। ফলে কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে ধানকাটা শেষে পাওয়া যেত বিশাল খড়ের গাঁদা-স্তূপ। এত বিশাল ছিল এ নাড়া খড়ের প্রাপ্যতা যে, অনেক সময় সংগ্রহের ঝামেলায় এগুলো খেতে পুড়িয়ে ফেলা হতো। বিনা পয়সায় এবং স্বল্প শ্রমে কুমারেরা গাঁদায়-গাঁদায় এ উপকরণটি সংগ্রহ করতেন। মৃৎশিল্পে ব্যবহৃত এ সহজলভ্য উপকরণটি এখন আর সহজে পাওয়া যায় না, এটি এখন দু®প্রাপ্য। ইরি ধানের আগমনে এবং কৃষির আধুনিকায়নে নাড়া খড় এখন পাওয়া যায় না বললেই চলে। শত শত ইটের ভাটায় হাজার হাজার মণ কাঠের ব্যবহারে কুমোরের কপালে এখন হাত। তাই এ শিল্পে নিয়োজিত লোকদের আজ বড় দুর্দিন। তাছাড়া মেলার সংখ্যা কমে যাওয়ায়, গ্রামের মানুষ শহর ও বিদেশমুখী হওয়ায়, তাদের অবস্থা সচ্ছল হওয়ার কারণে মৃৎশিল্পের ব্যবহারও কমে গেছে বহুলাংশে। সিলভার, স্টীল, স্টেইনলেস স্টীল, প্লাষ্টিক, সিরামিক-চীনা মাটির অত্যাধুনিক দ্রব্যাদির চমকে মৃৎশিল্পের দ্রব্যাদি ম্রিয়মান এবং মৃতপ্রায়। অনেকেই এখন পূর্বপুরুষের পেশাকে বদল করে অন্য পেশা গ্রহণ করছেন। অতীতে বিভিন্ন খাল-বিল, হাওড়-বাঁওড়, জলাভূমি ইত্যাদি স্থান থেকে এঁটেল মাটি সংগ্রহ করতেন। কিন্তু বর্তমানে দ্রুত নগরায়ণের ফলে এসব জলাভূমি, খাল-বিল ভরাট হওয়ার কারণে মাটি সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে অনেকাংশে। দুর্ভোগ সত্ত্বেও ঐতিহ্যবাহী এই মৃৎশিল্পের ধারক-বাহক কুমোর সম্প্রদায়ের কিছু নারী-পুরুষ এখনও তাদের পৈত্রিক পেশাকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে আছেন।                 
বর্তমানে মাদারীপুরে কুমোর সম্প্রদায়ের ১৫৫ পরিবারের ৭৭৫ নারী-পুরুষ মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত থেকে কোনমতে টিকে আছেন। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৪৩ পরিবার, রাজৈর উপজেলায় ৫৮ পরিবার, শিবচরে ২৮ পরিবার এবং কালকিনিতে ২৬ পরিবার। সদর উপজেলার চরমুগরিয়া (পিটিআই’এর পশ্চিমে) ঘটমাঝি ইউনিয়নে পালপাড়া, পূর্বরাস্তি, কুলপদ্দী, মস্তফাপুর, রাজৈর উপজেলার খালিয়া, গোয়ালবাথান, সেনদিয়া, কদমবাড়ি, মজুমদারকান্দি, শিবচর উপজেলার চান্দেরচর, দ্বিতীয়াখন্ড, দত্তপাড়া, পাচ্চর, কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ির খাসেরহাট, কালকিনির পালপাড়া। তবে কালকিনির বহু পরিবার এই পেশা ছেড়ে দিয়েছে।
জেলার উল্লেখযোগ্য মৃৎশিল্পীরা হলেনÑসদর উপজেলার রতন পাল, সন্তোষ পাল, সরণ পাল, বিষু পাল, নন্দ পাল, রাজৈর উপজেলার নারায়ণ পাল, দিলীপ কুমার পাল, আনন্দ পাল, বাচ্চু পাল, কালকিনি উপজেলার মাধব পাল, মরণ পাল, সারদা সুন্দরী পাল, অনীল পাল (১), অনীল পাল (২), সুশীল পাল, নকুল চন্দ্র পাল, সহদেব পাল এবং শিবচর উপজেলার রমেশ পাল, ভূবন পাল ও রমনী পাল। ঘটুপাল, কালিদাস পাল, পাগলা পাল, জগদীশ পাল, অতুল পাল। এরা সকলেই মাটির বিভিন্ন তৈজসপত্র তৈরির পাশাপাশি সকল ধরনের দেবদেবীর প্রতিমা তৈরিতে দক্ষ।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মোসা. ইয়াসমিন জানিয়েছেন, মৃৎশিল্পীদের জীবনমান উন্নয়ন ও এই শিল্পটিকে আধুনিক করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। আমরা মাদারীপুরের মৃৎশিল্পীদের নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করব।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য